বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০১ নভেম্বর, ২০১৭, ০৪:২৪:৩৪

ভ্রাম্যমাণ আদালত বিষয়ে হাইকোর্টের রায় আরো পাঁচ সপ্তাহ স্থগিত

ভ্রাম্যমাণ আদালত বিষয়ে হাইকোর্টের রায় আরো পাঁচ সপ্তাহ স্থগিত

ডেস্ক রির্পোটঃ-নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালত পরিচালনা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় আরো পাঁচ সপ্তাহ স্থগিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বে পাচঁ সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দেয় (এডজরনড টু ৬ ডিসেম্বর)।
ফলে এ সময় পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় কোন আইনি বাধা নেই বলে জানান আইনজীবীরা। এর আগেও বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্ট রায়ে আরো কয়েক দফা স্থগিতাদেশ দেয়া হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।
এটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপক্ষে ছয় সপ্তাহের সময়ের আবেদন জানিয়েছিলাম। আদালত পাঁচ সপ্তাহ সময় দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আগামী ৬ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত ২০০৯ সালের আইনের ১৪ টি ধারা ও উপধারা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে গত ১১ মে রায় দেয় হাইকোর্ট। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে এ আদেশ স্থগিত করে আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট আদালত বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে প্রেরণ করে আদেশ দেয়। একই সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের রায় প্রকাশ হলে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত আপিল করারও নির্দেশ দেয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালত পরিচালনা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৭ জুন প্রকাশ করা হয়েছে। রায় প্রদানকারী বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশিষ রঞ্জন দাসের স্বাক্ষরের পর এ রায় প্রকাশ করা হয়। ৬৪ পৃষ্ঠায় দেয়া এ রায় সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল কোর্ট) আদালতে সাজাপ্রাপ্ত পৃথক তিন ব্যক্তির দায়ের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এ রায় দেয়া হয়। বাসস

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে চালু হওয়া ‘না’ ভোট একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের উদ্যোগের মধ্যে পুনঃপ্রবর্তনের প্রস্তাব করেছে নাগরিক সংগঠন সুজন। আপনি কি তা সমর্থন করেন?