শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৭, ০৭:৫৮:৫১

মোবাইল অপারেটরগুলোর রাত্রিকালীন বিশেষ প্যাকেজ বন্ধের নির্দেশ

মোবাইল অপারেটরগুলোর রাত্রিকালীন বিশেষ প্যাকেজ বন্ধের নির্দেশ

ডেস্ক রির্পোটঃ-রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত মোবাইল ফোন অপারেটরদের এ বিশেষ ইন্টারনেট অফার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৬ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রবিবার (১৫ অক্টোবর) মোবাইল ফোন অপারেটরদের রাত্রিকালীন বিশেষ ইন্টারনেট অফার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের তিনজন আইনজীবী। ব্লু হোয়েলসহ আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী এ জাতীয় সব গেম বন্ধের নির্দেশনাও চাওয়া হয় ওই রিট আবেদনে।
রিটকারীরা হচ্ছেন- অ্যাডভোকেট সুব্রত বর্ধন এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওসার ও ব্যারিস্টার নূর আলম সিদ্দিক।
রিট আবেদনের পক্ষের আইনজীবী হুমায়ূন কবির পল্লব জানান, ব্লু হোয়েলসহ আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী এ জাতীয় সব গেমের গেটওয়ের লিঙ্ক বন্ধেরও নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রিট আবেদনের বিবাদী ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিটিআরসি’র চেয়ারম্যানকে এসব নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
২০১৩ সালে রাশিয়ায় শুরু হয় ওই মরণ খেলা ব্লু হোয়েল। প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে দু'বছর পরে।  বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত মোট দেড়শ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, নীল তিমিরা মারা যাওয়ার আগে জল ছেড়ে ডাঙায় উঠে। যেন আত্মহত্যার জন্যই। সেই থেকেই এই গেমের নাম হয়েছে 'ব্লু হোয়েল' বা নীল তিমি।
সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আলোচিত এ গেমটি সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশে। গেলো সপ্তাহে রাজধানীর এক স্কুলছাত্রীর বাবা তার মেয়ের আত্মহত্যার জন্য এ গেমকে দায়ী করেছেন এমন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়।
পরে এ গেমের কারণে দেশে কারো আত্মহত্যার কারণ হয়েছে কি না, তার তদন্ত করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার রায়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হবে না বরং বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংকট ঘনীভূত হবে।’ আপনি কি তাই মনে করেন?