শুক্রবার, ২২ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭, ০৮:০১:৫৩

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিষয়ে হাইকোর্টের রায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিষয়ে হাইকোর্টের রায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ-নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
এর আগেও কয়েক দফা এই রায় স্থগিত ঘোষণা করেছিলেন আপিল বিভাগ।
২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে আবাসন কোম্পানি এসথেটিক প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খানকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। ২০ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০৯) এর কয়েকটি ধারা ও উপধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১১ অক্টোবর রিট আবেদন করেন।
রিটের শুনানি নিয়ে একই বছর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। আদালতের জারি করা রুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ৫ ধারা এবং ৬(১), ৬(২), ৬(৪), ৭, ৮(১), ৯, ১০, ১১, ১৩, ১৫ ধারা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে এ ধরনের আরও দু’টি রিট করা হয়। তিন রিটে মোট ১৯ আবেদনকারীর শুনানি শেষে গত ১১ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  জাতীয় নির্বাচনের আগেই নিষ্পত্তি হচ্ছে খালেদা জিয়ার আপিল!

  জেলকোডের বাইরে গিয়ে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়-আইনমন্ত্রী

  মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৯ আসামির বিষয়ে রায় শিগগির

  দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ২১জুন

  খালেদা জিয়ার মানহানির ২ মামলায় হাইকোর্টের আদেশ বহাল

  পরোয়ানা তামিল গ্রহণের নামে ম্যাজিস্ট্রেট অহেতুক কালক্ষেপণ করেছে-হাইকোর্ট

  শাহবাগে র‍্যাবের হাতে আটক ইমরান এইচ সরকার

  নড়াইলে মানহানি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন না মঞ্জুর

  খালেদার জামিন ২৮ জুন পর্যন্ত, প্রডাকশন ওয়ারেন্ট প্রত্যাহার

  যুদ্ধাপরাধের আরো দুই মামলা রায়ের অপেক্ষায়

  শপথ নিলেন হাইকোর্টে নিয়োগ পাওয়া ১৮ অতিরিক্ত বিচারপতি

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?