রবিবার, ২১ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০১৭, ১০:৪৭:১৮

ভোলায় বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষ শুরু

ভোলায় বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষ শুরু

ঢাকা: দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা ভোলার সাগরমোহনার চরাঞ্চলগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষের নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আর্থিকভাবে মাছের চেয়ে লাভবান হওয়ায় বাড়ছে খামার এবং প্রাকৃতিক উৎস থেকে কাঁকড়া শিকারের সংখ্যা। কাঁকড়া এখন এ অঞ্চলের মানুষের মূল্যবান সম্পদ। কাঁকড়া চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন অনেকেই। পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়তা পেলে কাঁকড়া রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন সম্ভব বলেও ধারণা করছেন এলাকাবাসী।  
 
স্থানীয় কাঁকড়া চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশে-বিদেশে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় জেলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার ছোট-বড় শতাধিক খামারে কাঁকড়া চাষ শুরু হয়েছে। স্বল্প বিনিয়োগে অধিক লাভজনক হওয়ায় উপকূলীয় এ অঞ্চলে কাঁকড়ার চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মাছ চাষের অনুপযোগী এক হেক্টর এলাকায় কাঁকড়ার চাষ করে বছরে প্রায় তিন লাখ টাকার মুনাফা অর্জন সম্ভব হচ্ছে দেখে কাঁকড়া চাষে ঝুঁকছে উপকূলীয় এলাকার মানুষ।
 
স্থানীয়দের হিসাব অনুযায়ী, ভোলা থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৭০০ কেজি কাঁকড়া ঢাকা যায় এবং এর বেশিরভাগই বিদেশে রফতানি হয়।
 
চরফ্যাশন উপজেলার সর্ব দক্ষিণের বিচ্ছিন্ন সাগর মোহনার দ্বীপ কুকরি-মুকরীর কাঁকড়া চাষি খলিলুর রহমান জানান, শীতের সময় ভোলার দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে কাঁকড়া শিকার বেছে নিয়েছেন জেলেরা। খাল বিলের পানি কমে যাওয়ায় নভেম্বর মাস থেকে মনপুরা, ঢালচর ও চর কুকরী-মুকরীসহ সাগরমোহনার ডুবোচর ও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলগুলোতে প্রতিদিন চার হাজারেরও বেশি জেলে কাঁকড়া শিকার করেন। আর এসব কাঁকড়া ধরে চাষিদের খামারে সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তারা। এসব কাঁকড়া আকারভেদে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি করেন তারা। তিনি আরো জানান, শুধু তার খামারেই অন্তত আড়াই হাজার জেলে কাঁকড়া শিকার করে বিক্রি করেন।
 
খলিলুর রহমানের কাঁকড়া খামারে কর্মরত শ্রমিক মো. জামাল হোসেন জানান, ভোলার উপকূলে ছোট-বড় শতাধিক কাঁকড়া খামারে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে আরো এক হাজারেরও বেশি মানুষের। তারাও এখন স্বাবলম্বী হয়েছেন।
 
লাভজনক ও সম্ভাবনাময় হওয়ায় সরকারি-বেসরকারিভাবে কাঁকড়া চাষে এগিয়ে আসার দাবি কুকরী-মুকরী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল হাসেন মহাজনের।  
 
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। চলতি বছর কাঁকড়ার ৪৭টি খামার প্রদর্শনী ও ১০০ জনকে কাঁকড়া চাষে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশে এখন টাকা থাকলে সব রকম অন্যায় করে পার পাওয়া যায়। আপনি কি তা ঠিক মনে করেন?